নিজস্ব প্রতিবেদক, 20 February-2017, 11:40:49pm

চলতি মাসেই শেষ হতে পারে পিলখানা হত্যা মামলার বিচার। আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে এই মামলার সকল যুক্তিতর্ক শেষ করার জন্য উভয় পক্ষের আইনজীবীদের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। বিচারপতি মো. শওকত হোসেনের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্টের বৃহত্তর বেঞ্চ রবিবার আসামি ও রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীদের এই নির্দেশ দেন। এ প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপক্ষের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জাহিদ সারোয়ার কাজল ইত্তেফাককে জানান, আসামি পক্ষের আইনজীবীদের আইনগত যুক্তি উপস্থাপন শেষ পর্যায়ে। রবি অথবা সোমবার অ্যাটর্নি জেনারেল সমাপনী বক্তব্য দেবেন। তার বক্তব্যের মধ্য দিয়েই এই মামলার শুনানি শেষ হবে। শুনানি শেষে হাইকোর্ট রায়ের জন্য দিন ধার্য করে দিতে পারেন।
 
পিলখানা হত্যা মামলায় বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের শুনানির জন্য ২০১৫ সালে বৃহত্তর বেঞ্চ গঠন করা হয়। বিচারপতি মো. শওকত হোসেনের নেতৃত্বাধীন তিন বিচারপতির বেঞ্চে ওই বছরের জানুয়ারি মাসে ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের ওপর শুনানি শুরু হয়। বেঞ্চের অপর দুই সদস্য হলেন, বিচারপতি মো. আবু জাফর সিদ্দিকী ও বিচারপতি নজরুল ইসলাম তালুকদার। ইতোমধ্যে ৩৫৬ কার্যদিবসব্যাপী ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে ৩৫ হাজার পৃষ্ঠার পেপারবুক পাঠ করা হয়েছে ১২৪ কার্যদিবস। বাকি ২৩২ কার্যদিবস রাষ্ট্র ও আসামি পক্ষ যুক্তি উপস্থাপন করেছেন।
 
আইনজীবীরা জানান, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ১৫২ জন আসামির ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের শুনানি শেষ হওয়ার পর যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত ১৬০ আসামির আপিল শুনানি শেষ হয়েছে। এরপর শেষ হয়েছে বিচারিক আদালতে ৬৯ আসামির খালাসের রায়ের বিরুদ্ধে সরকারের করা আপিলের শুনানি। রাষ্ট্রপক্ষ এই ৬৯ আসামির মৃত্যুদণ্ড চেয়ে হাইকোর্টে আপিল করে।
 
এ প্রসঙ্গে আসামি পক্ষের অন্যতম আইনজীবী এম আমিনুল ইসলাম বলেন, আনুষ্ঠানিকভাবে রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামি পক্ষ সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ করেছে। আদালত আসামিপক্ষের আইনজীবীদের উপস্থাপিত যুক্তিতর্ক লিখিতভাবে আদালতে দাখিলের নির্দেশ দিয়েছে।
 
২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি রাজধানীতে তৎকালীন বিডিআর (বর্তমানে বিজিবি) সদর দপ্তর পিলখানায় বিদ্রোহের ঘটনা ঘটে। এতে ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন নিহত হন। এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ওই বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি লালবাগ থানায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে পৃথক দুটি মামলা করা হয়। পরবর্তীকালে মামলা দুটি স্থানান্তর হয় নিউমার্কেট থানায়। হত্যা মামলায় মোট আসামি ছিল ৮৫০ জন। ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ ড. মো. আখতারুজ্জামান এই হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেন।




এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মহিলাদের আসনে বসলেই জেল বা ৫ হাজার টাকা জরিমানা

আইন অনুযায়ী গণপরিবহণে মহিলাদের আসনে কোনও পুরুষ বসলে এখন থেকে এক মাসের কারাদণ্ড অথবা পাঁচ হাজার

টেস্ট টিউব শিশু বৈধ : পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় শরীয়া আদালত

সন্তান জন্মদানের জন্য টেস্ট টিউব পদ্ধতি গ্রহণকে ইসলামের দৃষ্টিতে জায়েজ বা বৈধ বলে রায় দিয়েছে

তারেকের সমন লন্ডনে পৌঁছানো হয়েছে কিনা জানতে নির্দেশ

অর্থপাচার মামলায় বিএপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দেওয়া আত্মসর্মপনের নোটিস (সমন)

শিশু সোনিয়াকে ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে একজনের মৃত্যুদণ্ড

জেলার চুরখাই এলাকায় সাত বছরের শিশু সোনিয়া আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে রফিকুল ইসলাম কাজল নামে

হানিফ ফ্লাইওভারের বাসস্ট্যান্ড ও সিঁড়ি অপসারণে রিট

রাজধানীর যাত্রাবাড়ি মেয়র হানিফ ফ্লাইওভার থেকে বাসস্টেশন ও ফ্লাইওভারে উঠার সিঁড়ি অপসারণের নির্দেশনা

ধর্ষণের অভিযোগে মামলা : দায়েরকারী নারীর কারাদণ্ড

ধর্ষণের মিথ্যা অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করায় দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে ফিরোজা বেগম নামে এক নারীকে।

৩৪টি কোম্পানির লাইসেন্স বাতিল : নিম্ন মানের ওষুধ তৈরি

সঠিক মানের ওষুধ উৎপাদনে ব্যর্থ। সেই কারণে বাংলাদেশর ২০টি ওষুধ কোম্পানির লাইসেন্স বাতিল করল হাইকোর্ট।